পার্বত্য চট্টগ্রাম ১৮ আগস্ট ২০২৫ ⏱ ৯ মিনিট পড়া

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক : কৌশলগত গুরুত্ব ও ঝুঁকি

প্রকাশক — পর্যবেক্ষণ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক : কৌশলগত গুরুত্ব ও ঝুঁকি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক (N1): কৌশলগত গুরুত্ব ও ঝুঁকি




ভাটিয়ারীর বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি (BMA) এর পাশ দিয়ে চট্টগ্রামের বুক চিরে উঠে আসা মহাসড়কটির নাম National Highway 1। সংক্ষেপ করা হলে যে মহাসড়কের নাম হয় N1।

N1 হলো বাংলাদেশের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। যা চট্টগ্রাম থেকে বেরিয়ে সীতাকুণ্ড হয়ে ফেনীর দিকে চলে গিয়েছে। যেখান হতে মহাসড়কটি International Border (IB) এর ঠিক কোল ঘেঁষে চৌদ্দগ্রাম অঞ্চলের মাঝ দিয়ে কুমিল্লায় উপনীত হয়েছে। তারপর মহাসড়কটি সরাসরি গিয়ে শেষ হয়েছে আমাদের রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তার মাঝে।

মহাসড়কটি বাংলাদেশের Main Transportation Artery বলে পরিচিত। কারণ, আমাদের দেশের মূল সমুদ্রবন্দর ও বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সাথে সমগ্র বাংলাদেশের একমাত্র সংযোগ আলোচ্য মহাসড়কটির মাঝ দিয়ে হয়ে থাকে। যার অর্থ হলো, বাংলাদেশের কুমিল্লা, ফেনী ও চট্টগ্রামে অবস্থিত আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সকল সেনানিবাস, ঘাঁটি ও ফর্মেশনের মাঝে Troop ও Logistics Supply Movement আমাদের আলোচ্য মহাসড়কের ওপর নির্ভরশীল। যা শান্তি ও যুদ্ধকালীন সময়, উভয় মুহূর্তের জন্য প্রযোজ্য।

U.S. Army এর পরিভাষা অনুসরণ করলে অনুরূপ বৈশিষ্ট্য ধারণকারী মহাসড়ককে Main Supply Route (MSR) নামে ডাকা হয়। যুদ্ধকালীন সময়ে সামরিক বাহিনীর সকল চলাচলের বড় একাংশ যে রুটের ওপর নির্ভরশীল থাকে। আর যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির উদ্ভব হলে শত্রুর সামরিক নীতিনির্ধারকেরা ওসব রুটের ওপর নিয়ন্ত্রণ স্থাপনের পরিকল্পনা আঁটতে থাকেন, আর বিপরীতে প্রতিরক্ষায় থাকা বাহিনীর দায়িত্ব থাকে যেকোনো মূল্যে রুটটির যোগাযোগ চালু রাখবার সক্ষমতা ও রুটের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণকে রক্ষা করা।

কোনো সামরিক বাহিনীর জন্য কখনো উচিত নয় নিজেদের যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির যোগাযোগের জন্য শুধুমাত্র একটি Main Supply Route (MSR) এর ওপর নির্ভরশীল থাকা। মার্কিন সামরিক বাহিনী ১৯৫০ সালে নর্থ কোরিয়ার গভীরে Battle of Lake Changjin তথা 장진호 전투 এর মাঝে পড়ার পর যা হাড়ে হাড়ে অনুভব করেছিল।

সেবার কোরিয়ান পেনিনসুলার নর্থে United States X Corps নর্থ কোরিয়ার ওপর শক্তিশালী অভিযান লঞ্চ করে। যে অভিযানের কমান্ডে ছিলেন স্বয়ং United Nations Command (UNC) এর কমান্ডার লিজেন্ডারি জেনারেল ডগলাস ম্যাকআর্থার। তার বাহিনী তখন নর্থ কোরিয়ার হাননাম বন্দরে অ্যাম্ফিবিয়াস ল্যান্ডিং পরিচালনা করে। যেখান হতে তারা অতঃপর হাগারু রি, ইয়ুদাম নি হয়ে শাঁনজিন রিজার্ভয়ারের তীরে উপস্থিত হয়।

X Corps এর আলোচ্য অফেন্সিভ অপারেশনে তারা যে ভুলটি করেছিল তা হলো, শাঁনজিনে অবস্থান নেওয়া তাদের ফর্মেশন ও হাননাম বন্দরে তাদের মূল লজিস্টিক সরবরাহের ঘাঁটির মাঝে যোগাযোগ অক্ষত রাখার জন্য তারা নিজেদের হাতে MSR রেখেছিল মাত্র একটি। MSR-31 নামে চিহ্নিত করা যে পথটি নর্থের বিপদজনক খাড়া শৈলশিরা ও সরু উপত্যকার মাঝ দিয়ে চলে গিয়েছিল। বিশেষ করে রুটের মাঝে অবস্থিত ফাঁনসিলিন পাসকে যার সবচেয়ে ভয়ানক অংশ বলে বিবেচনা করা হতো। যা ছিল মূলত একটি ১,৫০০ ফিট গভীর খাড়া গিরিখাত। যে গিরিখাতের ওপরে থাকা স্টিলের সেতুর সহায়তা নিয়ে মানুষ চলাচল করতো সেখানে।

মোদ্দাকথা, সম্পূর্ণ পথটি অনুরূপ ঝুঁকিপূর্ণ নানান প্রাকৃতিক বাধা দিয়ে পূর্ণ ছিল। ফলে বেইজিং হতে চেয়ারম্যান মাও সে তুংয়ের আদেশ পাওয়ার পর যখন জাতিসংঘ ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর হাতে নর্থ কোরিয়ার পতন প্রতিহত করার লক্ষ্য নিয়ে People’s Liberation Army Ground Forces (PLAGF) নর্থ কোরিয়ায় হানা দিলো, তখন মার্কিন X Corps ওদের MSR এর ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কারণে সরাসরি পূর্ণ ধ্বংসের হুমকিতে পড়ে যায়! কারণ, 9th Army, PLAGF যখন নর্থ কোরিয়ার মাটিতে পা রেখে জেনারেল সাঁন শিঁ লানের কমান্ডে X Corps এর ওপর অবরোধ স্থাপন করে, তখন অবরোধ কার্যকর করার ক্ষেত্রে MSR-31 কে সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হিসাবে চিহ্নিত করে রুটটিকে ০৮টি স্থানে বিচ্ছিন্ন করে দেয় তারা। PLA 58th Division থেকে আগত Combat Engineer দের দল ফাঁনসিলিন পাসের ওপরে থাকা সেতুর ০৬টি স্প্যান বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়। আর সেতুটি ধ্বসে যাওয়া মাত্র মূল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাথে 1st Marine Division, U.S. Marine Corps এর সকল যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে যায়। কোঁতো রি উপত্যকার মাঝে চতুর্দিকে চায়নিজ আর্মির ঘেরাওয়ে বন্দি হয়ে যায় তারা। যে উপত্যকার দু’দিকের খাড়া শৈলশিরায় চায়নিজ আর্মি ফর্মেশন অবস্থান নিয়ে নিচে ঘাঁটি গেড়ে বসা মেরিনদের ওপর গুলি ও গোলাবর্ষণ শুরু করে।

চায়নিজ আর্মি MSR-31 ভেঙে দেওয়ার কিছুকাল পরে মার্কিন X Corps অবশ্য সফলভাবে অবরোধ ভেঙে Breakout করতে সমর্থ হয়েছিল। যেখানে United States Air Force এর তাণ্ডবে অতিষ্ঠ চায়নিজ আর্মি মার্কিনীদের X Corps কে সমূলে নিঃশেষ করে দিতে গিয়েও ব্যর্থ হয়। কিন্তু, শুধুমাত্র একটি MSR এর ওপর নির্ভর করার ফলে মার্কিনীদের সেবার চড়া মূল্য দিতে হয়েছিল। ঊনিশ দিনের চায়নিজ অবরোধে পড়ে মার্কিন সেনাদের অবস্থা সঙ্গীন হয়ে পড়ে। সাইবেরিয়ার হাওয়া ততদিনে কোরিয়ার পার্বত্য রণাঙ্গন ছুঁয়ে দিতে আরম্ভ করেছে। খাড়া বিপদজনক পাহাড়ি অঞ্চলের প্রচণ্ড তুষারপাতের ফলে গভীর রাতে সেখানকার তাপমাত্রা -৩৫° সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে আসতো। ঠাণ্ডার কারণে ও রুট বিচ্ছিন্ন হয়ে রসদ না পাওয়ার ফলে সেবার ৪,০০০ মার্কিন সেনা অসুস্থ হয়ে পড়ে। মার্কিন বিমান বাহিনীর C-119 হতে যদি তখন আকাশপথে ফাঁনসিলিন পাসের ধ্বসিয়ে ফেলা সেতু মেরামতের জন্য দরকারি যন্ত্রাংশ সরবরাহ করা সম্ভব না হতো, তাহলে ধারণা করা যায় যে, অগণিত মার্কিন সেনা শাঁনজিন হতে হাননাম পর্যন্ত চীনা আর্টিলারি, গুলি আর কোরিয়ার ঠাণ্ডার শিকার হয়ে মরে পড়ে থাকতো।

장진호 전투 এর পর হতে মার্কিন সামরিক বাহিনী আর কখনো Alternative Supply Route (ASR) এর ব্যবস্থা না রেখে কোথাও সামরিক অভিযান পরিচালনা করেনি। মার্কিন সামরিক বাহিনীর শিক্ষায় তখন হতে শুধুমাত্র একটি MSR এর ওপর নির্ভরশীল না থাকার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে অন্তর্ভুক্ত করা হতে থাকে। যে বিষয়টি আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে পুনরায় বাংলাদেশের মাটিতে, আমাদের Dhaka-Chittagong Highway এর ওপরে।

ভারতের নীতিনির্ধারণী পর্যায় হতে সম্প্রতি আমাদের চট্টগ্রাম নিয়ে উচ্চাভিলাষী মন্তব্য নিক্ষেপ করা হয়েছে। আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ১৯৭১ সালে Indian Army চট্টগ্রাম দখলে নিয়ে ভারতের North-East এর ০৭টি রাজ্যকে বঙ্গোপসাগরে সমুদ্রবন্দর পাওয়ার সুবিধা না দেওয়াকে “Strategic Blunder” মর্মে আখ্যা দিয়েছে। হিমন্ত শর্মার শাসনে থাকা অঞ্চলের পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ত্রিপুরায় রয়েছে তার সতীর্থ মানিক সাহা, যে সেখানকার মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছে। কথা-বার্তা অনুযায়ী হিমন্ত শর্মার তুলনায় সংযত হলেও রাজনীতির মাঠে সে শর্মার সতীর্থ। ওদের পাশাপাশি ভারতের সামরিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মাঝেও বর্তমানে চট্টগ্রাম নিয়ে লোলুপ মন্তব্য করার প্রবণতা দেখা যায়। যার ফলে চট্টগ্রাম নিয়ে আমাদের চিন্তা আমাদের নিয়ে যায় চট্টগ্রামের সাথে আমাদের একমাত্র সংযোগ সড়কটির কাছে।

National Highway 1 নামক মহাসড়কটিকে যুদ্ধকালীন সময়ে ভেঙে ফেলার ও চট্টগ্রাম শহরকে বাংলাদেশ হতে বিচ্ছিন্ন করার কাজে Eastern Command, Indian Army সবার আগে যে স্থানটি নির্বাচন করবে, তা হলো সীতাকুণ্ড। সুনির্দিষ্ট করে যদি বলি, সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়। International Border (IB) হতে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের দূরত্ব আকাশপথে মাত্র ৭৫ কিলোমিটার। ওদিকে N1 হতে পাহাড়টির দূরত্ব সর্বাধিক নিকটবর্তী স্থানে ২,০০০ মিটার। ফলে, Indian Air Force এর হেলিকপ্টার যদি সীমান্তের ওপার হতে ফিল্ড গান আর আর্টিলারি ও কমান্ডো ফর্মেশন নিয়ে চন্দ্রনাথের উন্মুক্ত পাহাড়ের ওপরে অবতরণ করে, তাহলে ওরা সামান্য সময়ের মাঝে N1 বন্ধ করে দিতে সমর্থ হবে।

আলোচ্য পরিস্থিতিতে ভারতের Special Frontier Force (SFF) অথবা Armed Forces Special Operations Division (AFSOD) এর কমান্ডোরা চন্দ্রনাথকে কেন্দ্র করে চতুর্দিকের জনপদ ও সামরিক অবস্থানে Reconnaissance, Ambush জাতীয় তৎপরতা পরিচালনা করতে পারে। যেখানে চতুর্দিকের আকাশে ওদের Intelligence, Surveillance, Reconnaissance (ISR) প্ল্যাটফর্ম পাহাড়ে ওদের অবস্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ও হামলার শিকার হলে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান Close Air Support (CAS) সরবরাহ করার জন্য অবস্থান নিতে পারে।

যার পরবর্তী পর্যায়ে চট্টগ্রামের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ওদের মূল সামরিক ফর্মেশন কুমিল্লা, ফেনী অঞ্চল দিয়ে N1 রুট ধরে চট্টগ্রামের দিকে অগ্রসর হতে পারে। যেখানে শহরের দিকে ভারতীয় আর্টিলারির Forward Observer (FO) টিমের নজরদারির জন্য চন্দ্রনাথ পাহাড় ব্যবহৃত হওয়া সম্ভব। যার কার্যকারিতা ইতিপূর্বে ’৭১ সালে Indian Army পরখ করে দেখেছে। Eastern Command এর সেনারা তখন চট্টগ্রামের সামনে অবস্থান নেওয়া পাকিস্তান আর্মির প্রতিরক্ষাকে নিষ্ক্রিয় করতে চন্দ্রনাথের পাহাড়ের উচ্চতাকে ব্যবহার করেছিল নানান বিবরণী থেকে জানা যায়।

N1 Highway টি চন্দ্রনাথ ছাড়াও আরেকটি স্থানে চরম ঝুঁকির মাঝে রয়েছে। সেটি হলো হাইওয়ের ফেনী হতে কুমিল্লা পর্যন্ত অংশ। ভারতীয় সীমান্তের খুব কাছ দিয়ে অতিক্রম করায় যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে বা তার পূর্বে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি চলাকালীন মহাসড়কটির ভারতীয় অংশে অবস্থান নিয়ে ওদের Deep Reconnaissance Group (DRG) সড়কটির ওপর চলাচলের চেষ্টা করা আমাদের সামরিক ও বেসামরিক যানবাহন এবং মানুষের ওপর আক্রমণ পরিচালনা করতে পারে। যার ফলে সড়কটি নিরাপদে ব্যবহার করা আমাদের জন্য হয়তো অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।

আসলে পাহাড় অথবা উঁচু স্থানের দখলে নিয়ে শত্রুকে চরম বিপাকে ফেলে দেওয়া সামরিক বাহিনীর মাঝে ব্যাপক চর্চিত একটি কৌশল। যার সবচেয়ে বৃহত্তম সাম্প্রতিক উদাহরণ হতে পারে Israel Defense Forces (IDF) কর্তৃক সিরিয়ার Mount Hermon এর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ। বাশার আল-আসাদের পতনের পর যে পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ Russian Army ওদের হাতে তুলে দেয়। তার পর থেকে দামেশকের দক্ষিণের অঞ্চলে নবগঠিত সিরিয়ান আর্মির চলাচল দারুণ ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়ে আসছে। কারণ, Israeli Ground Forces (IGF) এর বর্তমানে মাউন্ট হারমন হতে দামেশক পর্যন্ত পরিষ্কার Line of Sight রয়েছে। ফলে সাগরপৃষ্ঠ হতে ৯,২৩২ ফিট উঁচুতে অবস্থান নিয়ে ওরা সমতলে অবস্থিত দামেশককে সার্বক্ষণিক নিজেদের ফরওয়ার্ড পজিশনে থাকা আর্টিলারি, রাডার ও আরো নানান সেন্সরের নজরদারির ভেতরে রাখতে পারে। যার ফলে সিরিয়ান আর্মি বর্তমানে দামেশকের দক্ষিণে শুধুমাত্র আশপাশের অঞ্চলে পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকতে বাধ্য হয়।

আলোচ্য বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে N1 মহাসড়কের নিরাপত্তা ও মহাসড়কটিকে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে বিমান আক্রমণ, নজরদারি হতে রক্ষায় কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মহাসড়কটি অকার্যকর হয়ে পড়লে কার্যকর একাধিক বিকল্প পথ আবিষ্কার বা প্রস্তুত করা আমাদের জন্য দরকারি। তবে সীতাকুণ্ডের কাছে চন্দ্রনাথের অংশটুকু সরু হওয়ায় সেখানে আসলে বিকল্প পথ প্রস্তুত করা অনেকটা অসম্ভব। সেক্ষেত্রে চন্দ্রনাথ ও সীতাকুণ্ড যেন শত্রুর হাতে ব্যবহৃত না হতে পারে সেজন্য আমাদের তেমন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।


Revan M


শেয়ার করুন
Facebook X WhatsApp Telegram LinkedIn
QR কোড স্ক্যান করে পড়ুন
বিভাগ: পার্বত্য চট্টগ্রাম © ২০২৬ পর্যবেক্ষণ

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।

একই বিভাগের অন্যান্য লেখা

চন্দ্রনাথ পাহাড় ইস্যু: রাষ্ট্রীয় নীতির আড়ালে কার স্বার্থ পূরণ হচ্ছে?
পার্বত্য চট্টগ্রাম

চন্দ্রনাথ পাহাড় ইস্যু: রাষ্ট্রীয় নীতির আড়ালে কার স্বার্থ পূরণ হচ্ছে?

??ন্দ্রনাথ পাহাড় ও রাষ্ট্রের আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত চন্দ্রনাথ পাহাড়কে ঘিরে সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত নিছক কোনো অসাম্প্রদায়িক প্রশাসনিক…

পর্যবেক্ষণ ২৮ আগস্ট ২০২৫
গণতন্ত্রের নামে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের পুনর্বাসন
পার্বত্য চট্টগ্রাম

গণতন্ত্রের নামে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের পুনর্বাসন

??াকসু নির্বাচনে হিন্দু ধর্মাবলম্বী প্রার্থীর সংখ্যা কমেছে, তবে ট্রাইবাল প্রার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। ট্রাইবাল প্রার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি ইতিবাচক…

পর্যবেক্ষণ ২১ আগস্ট ২০২৫
পর্যটন বনাম সম্প্রসারণবাদ: চন্দ্রনাথ পাহাড়ের সংকট
পার্বত্য চট্টগ্রাম

পর্যটন বনাম সম্প্রসারণবাদ: চন্দ্রনাথ পাহাড়ের সংকট

??িল্লির আজমির শরীফ, অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দির, ভ্যাটিকান সিটির সেন্ট পিটার্স বাসিলিকা, কিয়োটোতে অবস্থিত জাপানের কিয়োমিজু-দেরা মন্দির— এসব…

পর্যবেক্ষণ ২০ আগস্ট ২০২৫
↑