হাসিনার সহযোগী ট্রান্সজেন্ডার হোচেমিন ইউনুস সরকারের পলিসি মেকার!
সূচিপত্র
জুলাই আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পর থেকে ব্যক্তিগতভাবে নানা দমন-পীড়নের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন দুই শিক্ষক ড. সরওয়ার হোসাইন ও আসিফ মাহতাব উতস। তাদের দাবি, দেশের একটি প্রভাবশালী এলজি/ট্রান্স এক্টিভিস্ট প্রকাশ্যে তাদেরকে “জংই” আখ্যা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযুক্ত করেন এবং পুলিশের কাছেও অভিযোগ জানান। এর পরপরই প্রশাসনিক চাপ, চাকরিচ্যুতি ও হুমকির মুখে পড়তে হয় তাদের।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনার আগে ওই এক্টিভিস্টের নাম খুব একটা শোনা যায়নি। কিন্তু প্রথম আলো–ডেইলি স্টার এবং একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ প্রকল্পের মাধ্যমে তাকে সামনে আনা হয়। পরবর্তীতে তিনিই প্রকাশ্যে “জংই” ট্যাগ দিয়ে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট করেন এবং ডিবি পুলিশের মাধ্যমে অভিযোগ করেন, যেখানে তথাকথিত “সুপারকপ”–ও জড়িত ছিলেন বলে দাবি।
এর জেরে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে চাপে পড়ে ড. সরওয়ার হোসাইন কার্যত চাকরি হারান। তাকে তিন মাসের বেতন দিয়ে পদত্যাগপত্রে সই করতে বলা হলেও তিনি অস্বীকৃতি জানান। পরে ডিজিএফআই-এর একজন কর্মকর্তা ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিষয়টি ক্লিয়ার করেন। শিক্ষার্থীরাও আন্দোলনে অংশ নেন। তবে সাবেক ভিসি প্রায় তিন মাস ধরে তাকে ক্লাস নিতে দেননি—শুধুমাত্র দেশের প্রভাবশালী এলজি গ্রুপকে খুশি করতে। বিষয়টি সমাধানে তৎকালীন আইইউবির প্রো-ভিসি এবং বর্তমান ঢাবি ভিসি নিয়াজ স্যার মধ্যস্থতা করেন।
দুই শিক্ষকের অভিযোগ, জুলাই আন্দোলনের পর থেকে তাদেরকে মৌলবাদী আখ্যা দিয়ে সরকার দমনপীড়ন চালায়। এর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল রোকন (হোচিমিন)-এর। শুধু তাই নয়, প্রকাশ্যে হত্যার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পরও রোকন পরবর্তীতে নিজেকে ভিকটিম হিসেবে তুলে ধরতে শুরু করেন। বর্তমানে উল্টো তিনি ড. সরওয়ার হোসাইন ও আসিফ মাহতাব উতস–কেই হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ।
নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে তারা বলেন, তাদের সচেতনতার মূল বিষয় হচ্ছে এলজি পলিসি; ব্যক্তিগত জীবনযাপন বা বেডরুমের বিষয় নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। কিন্তু এলজি ইস্যুকে কেন্দ্র করে তাদের মৌলবাদী ট্যাগ দিয়ে দমন করা হয়েছে।
তারা সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন, রোকন (হোচিমিন)-এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কারণ তাদের মতে, রোকন কেবল হত্যার সমর্থনই করেননি, বরং ফ্যাসিবাদের সহযোগী হিসেবেও কাজ করেছেন।
সমালোচকদের মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকারের ওপরও আঘাত হানে।
রোকনকে ঘিরে বিতর্ক: ড. সরওয়ার হোসাইন ও আসিফ মাহতাব উতসের অভিযোগ
ঢাকা: জুলাই আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পর থেকে ব্যক্তিগতভাবে নানা দমন-পীড়নের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন দুই শিক্ষক ড. সরওয়ার হোসাইন ও আসিফ মাহতাব উতস। তাদের দাবি, দেশের একটি প্রভাবশালী এলজি/ট্রান্স এক্টিভিস্ট প্রকাশ্যে তাদেরকে “জংই” আখ্যা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযুক্ত করেন এবং পুলিশের কাছেও অভিযোগ জানান। এর পরপরই প্রশাসনিক চাপ, চাকরিচ্যুতি ও হুমকির মুখে পড়তে হয় তাদের।
পটভূমি
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনার আগে ওই এক্টিভিস্টের নাম খুব একটা শোনা যায়নি। কিন্তু প্রথম আলো–ডেইলি স্টার এবং একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ প্রকল্পের মাধ্যমে তাকে সামনে আনা হয়। পরবর্তীতে তিনিই প্রকাশ্যে “জংই” ট্যাগ দিয়ে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট করেন এবং ডিবি পুলিশের মাধ্যমে অভিযোগ করেন।
চাকরিচ্যুতি ও প্রশাসনিক চাপ
এর জেরে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে চাপে পড়ে ড. সরওয়ার হোসাইন কার্যত চাকরি হারান। তাকে তিন মাসের বেতন দিয়ে পদত্যাগপত্রে সই করতে বলা হলেও তিনি অস্বীকৃতি জানান। পরে ডিজিএফআই-এর একজন কর্মকর্তা ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিষয়টি ক্লিয়ার করেন। শিক্ষার্থীরাও আন্দোলনে অংশ নেন। তবে সাবেক ভিসি প্রায় তিন মাস ধরে তাকে ক্লাস নিতে দেননি—শুধুমাত্র দেশের প্রভাবশালী এলজি গ্রুপকে খুশি করতে। বিষয়টি সমাধানে তৎকালীন আইইউবির প্রো-ভিসি এবং বর্তমান ঢাবি ভিসি নিয়াজ স্যার মধ্যস্থতা করেন।
রোকনের ভূমিকা
দুই শিক্ষকের অভিযোগ, জুলাই আন্দোলনের পর থেকে তাদেরকে মৌলবাদী আখ্যা দিয়ে সরকার দমনপীড়ন চালায়। এর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল রোকন (হোচিমিন)-এর। শুধু তাই নয়, প্রকাশ্যে হত্যার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পরও রোকন পরবর্তীতে নিজেকে ভিকটিম হিসেবে তুলে ধরতে শুরু করেন। বর্তমানে উল্টো তিনি তাদেরকেই হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ।
অভিযোগকারীদের অবস্থান
নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে তারা বলেন, তাদের সচেতনতার মূল বিষয় হচ্ছে এলজি পলিসি; ব্যক্তিগত জীবনযাপন বা বেডরুমের বিষয় নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। কিন্তু এলজি ইস্যুকে কেন্দ্র করে তাদের মৌলবাদী ট্যাগ দিয়ে দমন করা হয়েছে।
উপসংহার
তারা সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন, রোকন (হোচিমিন)-এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কারণ তাদের মতে, রোকন কেবল হত্যার সমর্থনই করেননি, বরং ফ্যাসিবাদের সহযোগী হিসেবেও কাজ করেছেন।
প্রশ্নোত্তর (FAQ)
কারা অভিযোগ করেছেন?
দুই শিক্ষক ড. সরওয়ার হোসাইন ও আসিফ মাহতাব উতস অভিযোগ তুলেছেন।
তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কীভাবে শুরু হয়?
একজন এলজি/ট্রান্স এক্টিভিস্ট তাদেরকে “জংই” ট্যাগ দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন এবং পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন।
চাকরি হারানোর অভিযোগ কেন উঠেছে?
প্রশাসনিক চাপে ড. সরওয়ার হোসাইনকে পদত্যাগ করতে বলা হয়। তবে তিনি অস্বীকৃতি জানান।
তাদের দাবি কী?
তাদের দাবি, এলজি পলিসি নিয়ে সচেতনতা তৈরি করলেও তাদেরকে মৌলবাদী আখ্যা দিয়ে দমন করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে রোকনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।




