ধর্ষণ যখন রণকৌশল—Strategic Rape এর ভয়াবহ বাস্তবতা
কাশ্মির ফাইলসের নাম হয়তো আমরা সকলে শুনে থাকব—The Kashmir Files। ভয়ঙ্কর মিথ্যাচার ও প্রোপাগান্ডা সম্বলিত আলোচ্য ফিল্ম ১১ই মার্চ ২০২২ তারিখে আমাদের পার্শ্ববর্তী ভূখণ্ড ভারতে মুক্তি পায়।
যে মুক্তির সাথে সাথে চলচ্চিত্রটি ভারতের পদস্থ সরকারি কর্মচারী থেকে আরম্ভ করে শিশু-কিশোর পর্যন্ত সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মানসিকতায় একটি বিরাট পরিবর্তন এনে দেয়। ভারতের সংখ্যাগুরু নাগরিক এই প্রোপাগান্ডার কারণে হয়ে ওঠে অতিমাত্রায় উগ্রপন্থি। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ফিল্মটি প্রকাশের কিছুদিন পূর্বেও যে ছেলেটি ফেসবুকের মাঝে নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিদ্রূপ করতো, সে কাশ্মির ফাইলস দর্শনের পর নরেন্দ্র মোদি এবং তার দলের উগ্রবাদী নীতির মারাত্মক ভক্তে পরিণত হয়েছে।
লেখার চলতি অংশে আগমনের পর সম্মানিত পাঠকের দিকে একটি প্রশ্ন থাকবে। তা হলো—থিয়েটার থেকে কাশ্মির ফাইলস দেখার পর বেরিয়ে আসা দর্শকদের মাঝ হতে আপনারা কেমন শ্লোগান শুনেছেন? উত্তরে এই বিষয়ে অবগতরা সকলে সম্ভবত একমত হবেন যে, সেখানে মুসলিম মেয়েদেরকে জোরপূর্বক বিয়ে তথা ধর্ষণ করার হুংকার শুনেছেন তাঁরা।
তাহলে, আপনাদের কখনো এটা ভাবার সুযোগ হয়েছে কি—কেন ভারতীয়রা সুযোগ পাওয়ার সাথে সাথে মুসলিম নারীদের ও অন্যান্য ধর্মের সংখ্যালঘু নারীদের ওদের সহিংসতার লক্ষ্য বানায়? কেন ১৯৪৭ সালের দেশভাগের দাঙ্গা থেকে শুরু করে ২০০২ সালে গুজরাটে যে নৃশংসতা হলো স্বয়ং নরেন্দ্র মোদির তত্ত্বাবধানে, সেখানে ওদের সহিংসতার প্রধান লক্ষ্য ছিলেন মুসলিম পরিবারের মেয়েরা?
প্রশ্নটিকে কেন্দ্র করে আমাদের আজকের আলাপ। যার উত্তর মাত্র ২টি শব্দের—Strategic Rape!
সামরিক গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে কিছুটা। কারণ হলো, এটি একটি রণকৌশল হিসাবে স্বীকৃত, যা আগ্রাসী ও নীতি-বিবর্জিত সামরিক শক্তি দ্বারা যুদ্ধে ব্যবহার হয়ে থাকে। আর ধর্ষণের অমন প্রয়োগের শুরুও আজ থেকে দীর্ঘকাল পূর্বে। আমরা শুধুমাত্র গত শতাব্দীর বিশ্বযুদ্ধে জাপান, জার্মানি, রাশিয়া বনাম মার্কিন ও ব্রিটিশ মিত্রশক্তির কথাতেই যদি আসি, ওরা নিজেরা বিপরীতে থাকা নারীদের ওপর এই ঘৃণ্য কৌশলটির বিস্তৃত প্রয়োগ ঘটিয়েছিলো। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে পাকিস্তান আর্মি ও ওদের সহযোগী গোষ্ঠীর হাতে বাংলার মাটিতে অগণিত নারীর নির্যাতনের শিকার হওয়ার বিষয়টিও উক্ত কৌশলের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করা হয়। গবেষকরা এমনকি বিষয়টিকে Strategic Rape এর অন্যতম উদাহরণ বলেও মনে করে থাকেন।
আজ একদম সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান মতে, শুধুমাত্র ১৯৮০ থেকে ২০১০ সালের মাঝে যুদ্ধের কারণে পৃথিবীতে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন অন্তত ৪৫টি দেশের মেয়েরা। বান কি মুন, জাতিসংঘের মহাসচিব আলোচ্য ঘৃণ্য কৌশলটির উদ্দেশ্যকে নিম্নোক্ত ভাষায় ব্যাখ্যা করেছেন—
"যৌন সহিংসতা সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হলে তা নিঃসন্দেহে একটা জাতি অথবা সমাজের জন্য প্রাণঘাতী অস্ত্রের অনুরূপ বিধ্বংসী হয়ে দাঁড়াতে সক্ষম।"
তবে মনে রাখা দরকার যে, যুদ্ধক্ষেত্রে ধর্ষণ মানেই তা Strategic Rape হয় না। সুনির্দিষ্ট তৎপরতার অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য সেখানে বিশেষ কিছু শর্ত প্রযোজ্য হয়ে থাকে। যার কিছু শর্ত ধারাবাহিক পদ্ধতিতে নিচে যুক্ত করা হলো—
০১ | শত্রুসেনারা ওদের কমান্ডের তরফ হতে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে আলোচ্য বিষয়ক নির্দেশনা গ্রহণ করবে। অতঃপর বাস্তবায়ন আরম্ভ হলে শত্রুপক্ষের নারীদের নির্যাতনের সময় তাঁদের প্রজনন অঙ্গসহ শরীরের অন্যান্য স্পর্শকাতর অঙ্গ নষ্ট করে দেওয়ার প্রচেষ্টা চালানো হবে। উদ্দেশ্য হলো, শত্রুর পরবর্তী প্রজন্ম পৃথিবীর বুকে আগমনের পথ যেন বন্ধ হয়ে যায় তা নিশ্চিত করা।
০২ | নির্যাতিতার (ক্ষেত্রবিশেষে নির্যাতিত) স্পর্শকাতর অঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্রের মুজল, ছুরি, জলন্ত কয়লা কিংবা ভাঙা কাঁচ ইত্যাদি প্রবেশ করানো হবে। গর্ভবতী নারীদের ধর্ষণের পর পেট চিরে বাচ্চাকে বের করে আনার মতো নৃশংসতা চালানো হবে। এখানেও লক্ষ্যবস্তু হলো শত্রুর পরবর্তী প্রজন্মকে পৃথিবীর আলো না দেখতে দেওয়া।
০৩ | Strategic Rape এর ক্ষেত্রে আগ্রাসনের শিকার জাতির নারীদের মাঝ থেকে বিশেষভাবে ছোট্ট মেয়ে এবং কিশোরীদের নির্বাচন করা হয়। শিশুদের ভেতর এমনকি ৬ মাস বা তার থেকেও কম বয়সী শিশুরা থাকতে পারেন। নির্যাতনের শিকার যেসব শিশু সাধারণত তাৎক্ষণিক বা কিছু সময় পর পৃথিবী হতে বিদায় নিয়ে থাকেন। কিশোরীদের ভেতর বেঁচে যাওয়া নির্যাতিতাদের জোরপূর্বক গর্ভধারণ করানোর চেষ্টা করা হয়। একটি গবেষণা হতে পাওয়া রিপোর্ট অনুসারে, কিছু কনফ্লিক্ট চলাকালীন সংঘটিত Strategic Rape এর ৮০ শতাংশ ভিকটিম ছিলেন মেয়ে শিশুরা।
০৪ | জনসম্মুখে চরম অপমানজনক উপায়ে ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষিতার ওপর নারকীয় তাণ্ডব চলাকালীন পরিবারের স্বজন ও এলাকার মানুষদের শত্রুরা তা দেখতে বাধ্য করে। নির্যাতিতার ভাই, বাবা সহ আপনজনদের ভয়ঙ্কর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে নির্যাতিতাকে ধর্ষণ করতে বাধ্য করা যেখানে ব্যবহৃত কৌশলের মাঝে অন্যতম। আলোচ্য ঘৃণ্য কৌশল ব্যবহারের উদ্দেশ্য হলো আক্রান্ত জাতির মনোবল ভেঙে ফেলা। জনসাধারণের ভেতর সর্বোচ্চ মাত্রার আতঙ্ক ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন সামরিক বাহিনী আলোচিত কৌশলটি ব্যবহার করে থাকে। জনসম্মুখে ধর্ষণের কৌশল ভারতের গুজরাট প্রদেশে নরেন্দ্র মোদির তত্ত্বাবধানে ২০০২ সালে প্রয়োগ করা হয়েছে।
০৫ | গণধর্ষণ। গণধর্ষণ যুদ্ধক্ষেত্রে Sexual Violence এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জন করার অন্যতম মাধ্যম। কিছু যুদ্ধে নির্যাতিতাদের ৯০ শতাংশ Gang Rape এর মতো পাশবিকতার শিকার বলে জরিপে দেখা গিয়েছে।
রুয়ান্ডার International Crime Tribunal for Rwanda (ICTR) যুদ্ধকালীন সময়ে ধর্ষণকে কৌশল হিসাবে কার্যকর করা সম্পর্কে বলে—"ধর্ষণ হলো নির্দিষ্ট একটি জাতিকে সমূলে ধ্বংসের প্রক্রিয়ার মাঝে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।"
রুয়ান্ডা কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা হতে কথাটি বলেছে। যেখানে ১৯৯৪ সালে আধুনিক মানব ইতিহাসের ভয়ঙ্করতম Genocide নিকট ইতিহাসের সর্বাধিক দ্রুততম সময়ের মাঝে সংঘটিত হয়েছিল। আমাদের জন্য রুয়ান্ডার সেই ভয়াবহ দিনগুলো ও তার পূর্বেকার সময়ের চিত্র নিয়ে পড়াশোনা করা খুব জরুরি।
Strategic Rape এর শিকার মেয়েরা প্রচণ্ড মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণার শিকার হয়ে থাকেন। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি প্রস্তুত করা হয়েছে তা নিশ্চিত করার জন্যই। পাশবিক ও নারকীয় আনন্দ উপভোগের উদ্দেশ্যে ধর্ষকের দল এখানে কাজ করে না। তাঁদের লক্ষ্য হয় মূলত নির্যাতিতার স্থায়ী শারীরিক ক্ষতি নিশ্চিত করা। আর সে কারণেই তাঁদের স্পর্শকাতর অঙ্গ-প্রতঙ্গকে ওরা প্রধান লক্ষ্যবস্তু করে থাকে। বেঁচে যাওয়া ধর্ষিতারা যার ফলে আজীবন এই ক্ষত বহন করে যেতে বাধ্য হন। সাধারণত তাঁদের সেরে ওঠার জন্য পরবর্তী জীবনে সুযোগ পেলে একাধিক যন্ত্রণাদায়ক ও জটিল সার্জারির মাঝ দিয়ে যেতে হয়। তবুও শারীরিক ক্ষত অনেক সময় পুরোপুরি ঠিক হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অনেকের আবার বিপুল অর্থ খরচ করে চিকিৎসা করাবার সামর্থ্যও থাকে না। ধীরে ধীরে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুকে বরণ করে নেন তাঁরা।
রণাঙ্গনের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরো ভয়াবহ। জোরপূর্বক গর্ভধারণ করাবার পর গর্ভপাতের উপযুক্ত পরিস্থিতি আর পরিবেশ না থাকায় নির্যাতিতাদের একটি বড় অংশ সেখানেও মৃত্যুমুখে পতিত হন। যে বিষয়টি ঘটানো ধর্ষকদের অনুমোদনকারীদের অন্যতম লক্ষ্য থাকে। অগণিত ধর্ষিতা মানসিক আঘাত ও অপমান সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেন। মিনদানাও থেকে আরাকান, আসাম হতে কাশগড়, চেচনিয়া থেকে রমলা পর্যন্ত দুনিয়ার বিস্তীর্ণ প্রান্তরে এমন হাজারো কূপ পাওয়া যাবে, যেসব কুয়ার মাঝে কওমের মুসলিম মেয়েরা নিজেদের জীবনের ওপর সম্ভ্রমকে প্রাধান্য দেওয়ার প্রচেষ্টায় ঝাঁপ দিয়ে নিজেদের পার্থিব জীবনকে শেষ করে দিয়েছিলেন।
আর ধর্ষণের পর বেঁচে যাওয়া নারীদের শারীরিক ক্ষতি তো থাকেই, তবে তাঁদের মানসিক আঘাত হয় অনুরূপ ভয়ঙ্কর। গবেষকরা দেখেছেন যে, এই ভয়ানক আঘাতের ছাপ এমনকি পরবর্তী সময়ে তাঁদের থেকে জন্ম নেওয়া শিশুদের মাঝেও রয়ে যায়। বিষণ্নতা (Depression) এবং PTSD (Post-Traumatic Stress Disorder) এর শিকারে পরিণত হন এসকল নারীরা। ভয়ালো অভিজ্ঞতার মুহূর্তগুলো তাঁদেরকে জীবনের মুহূর্তে মুহূর্তে তাড়া করে ফিরে। উপযুক্ত চিকিৎসা ও সহযোগিতা না পেলে তাঁদের রাতের ঘুম আর স্বাভাবিক জীবন প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।
লেখার শেষ পর্যায়ে আছি আমরা। এতক্ষণে সকলের বুঝে নেওয়ার কথা যে, Strategic Rape এর প্রাথমিক লক্ষ্যবস্তু নির্যাতনের শিকার নারীরা হলেও ঘৃণ্য কৌশলটির মূল লক্ষ্য হয়ে থাকে সম্পূর্ণ একটি জাতি। আর কৌশলটির আরম্ভ শত্রুর মূল সামরিক আক্রমণের অনেক আগে থেকে হয়ে থাকতে পারে। একজন নারীর সম্ভ্রমের ওপর যখন হামলা হয়, এর অর্থ তা পুরো একটি পরিবারের ওপর হামলা, সমাজের ওপর হামলা এবং জাতির ওপর হামলা। এজন্যই ধর্ষণ এতখানি ভয়ানক একটি অস্ত্র। ধর্ষণকে Modern Warfare এর একটি ঘৃণ্য ও কার্যকরী কৌশল হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
ভারতে ২০০২ সালে ঘটে যাওয়া নারকীয় ও ঘৃণ্য গুজরাট দাঙ্গায় সুনিপুণভাবে বাস্তবায়ন হয়েছিলো Strategic Rape নামক নৃশংস কৌশলটির। জনসম্মুখে ভয়ঙ্করভাবে তখন মুসলিম কিশোরী ও নারীদের ধর্ষণ করা হয়। শত শত মুসলিম নারীকে গণধর্ষণের পর চিতার আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়! নয় মাসের গর্ভবতী মাকে ধর্ষণের পর মায়ের পেট চিরে শিশুকে বের করে নেওয়া হয়। মা এবং শিশু দুজনকেই অতঃপর আগুনে ছুঁড়ে ফেলে নরেন্দ্র মোদির অনুসারীরা!
গুজরাট নরেন্দ্র মোদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পদে বসিয়েছে। গুজরাট প্রথম ছিলো না, গুজরাটে শেষও হয়নি। গুজরাটের শতবর্ষ আগে থেকে উপমহাদেশের দাঙ্গায় ঘৃণ্য কৌশলটির প্রয়োগ আরম্ভ হয়েছে। ইন্ডিয়ান আর্মড ফোর্সেস হায়দরাবাদ দখলের পর সেখানে রীতিমতো যার ক্যাম্পেইন শুরু করেছিলো। অধিকৃত কাশ্মীরের হাসপাতালগুলোর গাইনি বিভাগের অনেক চিকিৎসকদের নিকটে গেলে আমরা আরো বীভৎস চিত্রে সন্ধান পেতে পারি—যেখানে এমন নারীরা চিকিৎসার জন্য আসেন, যাদের প্রজনন অঙ্গ ভারতীয় সেনাদের গণধর্ষণের ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।
আমরা এতক্ষণ যাবৎ Genocide এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত পৃথিবীর জঘন্যতম একটি কৌশলের বিবরণ পড়েছি। আমরা পার্শ্ববর্তী মিয়ানমার ও ভারতে যার বাস্তবিক প্রয়োগ সম্পর্কেও জেনেছি। আমরা এটাও পড়েছি যে, এই কৌশলটির প্রয়োগ আমাদেরকে তিন দিক হতে ঘিরে রাখা ভূখণ্ডে যার নেতৃত্বে হয়েছিলো, সেই নরপিশাচ আজ স্বয়ং দেশটির প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন। আর ওর সহযোগীরা রয়েছে সরকার ও বাহিনীর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মসনদ ও আসনে। আমরা পশ্চিমবঙ্গে মৌমিতার ঘটনা শুনেছি। আমরা নিয়মিত ভারত থেকে এমন অগণিত ঘটনা শুনতে পাচ্ছি, যেখানে নৃশংসতম, উদ্ভাবনী উপায়ে আলোচ্য ঘৃণ্য অপরাধটি ঘটানো হচ্ছে। অপরাধটি সংঘটনের পর আবার ওখানে আদালত থেকে অপরাধীর সাজা মওকুফ ও ফুলেল শুভেচ্ছা পেতেও দেখেছেন আপনারা।
সবকিছু বিবেচনা করে আমরা সিদ্ধান্তে আসি—আমার দায়িত্ব শুধুমাত্র আমাদের অবশিষ্টদের অবগত করা।
.jpeg)
