রাজনীতি ২৫ আগস্ট ২০২৫ ⏱ ৮ মিনিট পড়া

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের নামে নদী ও বিল হত্যার পরিকল্পনা

প্রকাশক — পর্যবেক্ষণ
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের নামে নদী ও বিল হত্যার পরিকল্পনা


ভারতের Minister of Defence রাজনাথ সিং গত বছর লখনৌ শহরের Central Command HQ, Indian Army–তে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সকল শাখার নীতিনির্ধারকদের সমন্বয়ে Joint Commanders' Conference 24 উদ্বোধন করেন।

কনফারেন্সটি ভারতের সামরিক বাহিনীর ইতিহাসে সর্বপ্রথম ছিল। সেখানে ভাষণ চলাকালীন সময়ে রাজনাথ সিং তার সামরিক বাহিনীর সহকর্মীদের জন্য ইউক্রেন ও ফিলিস্তিনের যুদ্ধ হতে শিক্ষা নেওয়ার নির্দেশনা জারি করেন। এর মাঝ থেকেই আমরা ভারতের সত্যিকার উদ্দেশ্য আঁচ করতে সক্ষম হয়েছিলাম।

ইসরায়েল বর্তমানে ফিলিস্তিনের ওপরে যেমন কৌশলের আশ্রয় নিয়ে থাকে, ভারত যদি তার কোনো শত্রুর ওপরে অনুরূপ কৌশলের আশ্রয় নিতে সক্ষম হয়ে থাকে, সেটি হলো বাংলাদেশ। আর সেটি সকল বিষয়ের জন্য প্রযোজ্য। এর মধ্যে অন্যতম একটি বিষয় হলো আমাদের খাদ্য উৎপাদন ও আমদানির সক্ষমতা। ভারতের সাথে কোনো উত্তেজনাকর পরিস্থিতি উদ্ভব হলে Indian Navy আমদানির পথ বন্ধ করে দিতে সক্ষম। আলোচ্য কনফারেন্সে তা বাস্তবায়নের আগ্রহ–সম্বলিত জোরালো ইঙ্গিত অ্যাডমিরাল দিনেশ কুমার ত্রিপাঠি দিয়েছিলেন বলে ভারতের কিছু সামরিক বিশ্লেষকের পক্ষ থেকে কথিত রয়েছে।

তাহলে আমাদের হাতে থাকে শুধুমাত্র খাদ্য উৎপাদন। যেখানে দুগ্ধজাত খাবার তালিকার বেশ ওপরে থাকার কথা। তবে সেদিকে যাওয়ার পূর্বে কিছুক্ষণ গাজা উপত্যকার পরিস্থিতির দিকে আলোকপাত করছি।
গত জুলাইয়ের শেষ দশ দিনে Al Jazeera, Anadolu, The Guardian–এর মতো সুপরিচিত গণমাধ্যম রিপোর্ট করেছে যে, উপত্যকায় Israel Defense Forces–এর আরোপিত অবরোধের ফলে সেখানে কোনো Baby Formula মিলছে না। The Guardian ডাক্তারদের ভাষায় লিখেছে: “They are skin and bones!”

আলোচ্য Baby Formula কিন্তু দুগ্ধজাত খাবারের আওতায় পড়ে। যা নবজাতক শিশুদের খাওয়ানো হয়। ফিরে আসছি আমাদের বর্তমান আলোচনায়। রাজনাথ সিং যখন তার সামরিক বাহিনীর কমাণ্ডারদের বলেছিলেন ফিলিস্তিন হতে শিক্ষা নিতে, তখন তিনি আমাদের আলোচনার সকল বিষয় মাথায় রেখে কথাটি বলেছিলেন। আমরা হলাম দিগন্তের পূর্বে থাকা গাজা উপত্যকা। ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার ওপরে যে কৌশলে আঘাত হানা যায়, আমাদের ওপরে অনুরূপ কৌশল অবলম্বন করে আঘাত করা সম্ভব।
অক্টোবরের ০৭ তারিখ গত হওয়ার পর যখন ওরা উপত্যকায় Ground Offensive আরম্ভ করে, তখন সবার আগে ওদের নেওয়া পদক্ষেপের মধ্যে ছিল উপত্যকার Electricity ও Internet বিচ্ছিন্ন করা। আপনারা বিগত সরকার থাকাকালীন Adani Group থেকে আমাদের বিদ্যুৎ আমদানি করা অথবা Broadband সংযোগের জন্য ভারতের ওপর চরম আকারে নির্ভরশীল হওয়ার কুৎসিত প্রবণতা লক্ষ্য করেছেন। ওসবের কোনো কিছু দুর্ঘটনা বা শুধুমাত্র দুর্নীতি ছিল না।

বর্তমানে বাংলাদেশ ভারতের ওপর থেকে আলোচ্য নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনার পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে। ভারত থেকে সুনির্দিষ্ট পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ যেখানে অবদান রাখতে সমর্থ হলেও, ভারত ও তার Intelligence Community নীরবে সবকিছু বসে থেকে হজম করছে বলে মনে করার কারণ নাই। অনুমান করা যায় যে, আমাদের দুগ্ধজাত খাবার উৎপাদনের সক্ষমতা যে কারণে ওদের বড় লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

আমরা বাংলাদেশিরা বার্ষিক শত শত মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের দুগ্ধজাত পণ্য European Union (EU) ও New Zealand থেকে আমদানি করি। যেখানে আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ ভারত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দুগ্ধজাত খাবার উৎপাদক। কিন্তু ওখান থেকে আমাদের আলোচ্য পণ্যের আমদানির পরিমাণ মাত্র কয়েক মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভারতের কাছে অঙ্কটি বেশ গুরুত্ব রাখে, বিশেষ করে ওদের পূর্ব সীমান্তে অবস্থানকারী নাগরিকদের কাছে। কারণ, ওখান থেকে রপ্তানি হওয়া পণ্যের মূল ক্রেতা বাংলাদেশের নাগরিকেরা। যদিও আমাদের হিসাবে তা পরিমাণে অত্যন্ত স্বল্প। এর পেছনেও নানান কারণ বিদ্যমান রয়েছে।

বিশ্বের দুগ্ধজাত খাবারের বাজারে Australia, European Union ও New Zealand দীর্ঘকাল ধরে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। স্বল্প খরচ, বিশাল পরিমাণ ও মানে উন্নত হওয়ার কারণে ওদের সরবরাহ করা পণ্যের সাথে পাল্লা দেওয়া অন্যদের জন্য দূষ্কর হয়ে পড়ে। ভারত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় উৎপাদক হলেও অনুরূপ বিশাল পরিমাণ ও উন্নত মানের সাথে সরবরাহের সক্ষমতা এখনো ওদের নেই। যদিও তারা চেষ্টা করছে।
আমরা ভারত থেকে দুগ্ধজাত পণ্য আমদানি না করার আরেকটি কারণ হলো—ভারত থেকে আগত দুগ্ধজাত পণ্যের মাঝে নানান সময়ে ডিটারজেন্ট, ইউরিয়া, ফরমালিনের মতো বিষাক্ত রাসায়নিকের সন্ধান পাওয়া। যা আমাদের নাগরিকদের জন্য চরম হুমকি। এর বাইরে ওদের থেকে আমদানি করা পণ্যের মেয়াদ বেশিদিন থাকে না বলেও আমাদের আমদানিকারকদের মাঝে কুখ্যাতি রয়েছে।

সবকিছু বিবেচনা করে আমরা আপাতত ভারত থেকে কোনো দুগ্ধজাত খাবার আমদানি করছি না। পাশাপাশি পৃথিবীর অন্যান্য দেশ থেকে আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর দিকেও আমরা মনোযোগ দিতে চেষ্টা করছি। আমদানির ওপর আমাদের যে নিষেধাজ্ঞা জাতীয় নীতিকে The Financial Express সম্প্রতি Infant Industry Protection (ISI) বলে চিহ্নিত করেছে।

এবং এখানেই আমাদের আলোচনার মূল বিষয়।
আজ Daily Bonik Barta ও Daily Amar Desh–এর মতো কিছু স্বনামধন্য গণমাধ্যম রিপোর্ট করেছে যে, আমাদের দেশের শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়–এর স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য চলন বিলের প্রবাহমুখ বন্ধের পরিকল্পনা চলছে। নদী গবেষকদের মতে, যে স্থান নিয়ে আলোচিত পরিকল্পনা চলছে, সেখানে কোনো বড় অবকাঠামো নির্মাণ করা মানে কয়েক বছরের মধ্যে আশপাশের চলন বিল, খাল ও বড় বড় নদী ভরাট হয়ে যাবে।

গত জুন মাসের ১৬ তারিখে ওখানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু উপদেষ্টা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে উত্থাপিত রিপোর্টে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস স্থাপন করতে হলে স্থানটি ২৯ ফিট ভরাট করতে হবে। চারদিকের ঢেউ থেকে বাঁচাতে ০৫ কিলোমিটার ডুবন্ত বাঁধ উঁচু করে রাস্তা তৈরি করতে হবে। সেখানে সেতু নির্মাণেরও দরকার হবে। যা অর্থনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে লাভজনক নয়।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমানের ভাষায়, ওখানে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হলে চলন বিলের কফিনে শেষ পেরেক মারা হবে। কিন্তু বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে সাংবাদিকেরা নিয়ে গেলে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কারণে চলন বিলের ক্ষতি হবে না। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন অনুসারে শাহজাদপুর হলো কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত স্থান। ফলে স্থান পরিবর্তনের সুযোগ নেই।

আর আলোচ্য কথাটি আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যায় ভারত ও দুগ্ধজাত পণ্যের প্রসঙ্গে। আমাদের আলোচ্য অঞ্চলটি হলো এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম গো–চারণ ভূমি। যেখান থেকে আমাদের দেশের ৭৩ শতাংশ দুধ উৎপাদিত হয়। ফলে, আমাদের দেশকে দুগ্ধজাত পণ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হলে সবার আগে থাকবে সিরাজগঞ্জের আলোচ্য অঞ্চল। যা টিকে রয়েছে আশপাশের বড় নদী, খাল ও বিলের সহায়তায়। ফলে, আশপাশের বড় নদী, খাল ও বিল যদি ধ্বংস হয়ে যায়, তাহলে বাংলাদেশের নিজস্ব দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা হয়তো ৭৩ শতাংশ কমে যাবে। অর্থাৎ সমূলে ধ্বংস হয়ে যাবে। যা আমাদের জন্য ভয়াবহ আঘাত হবে। Indian Armed Forces সাগরে অবরোধ স্থাপন করলে তখন Baby Formula–এর অভাবে আমাদের শিশুরা ভুগতে শুরু করবে। নিরুপায় হয়ে তখন ভারতের দিকে ঝুঁকলে তারা ডিটারজেন্ট, ইউরিয়া আর ফরমালিন–যুক্ত খাবার আমাদের শিশুদের মুখে ঢুকিয়ে দিতে পারে।

U.S. Army War College–এর National Security বিষয়ে সিনিয়র সামরিক নেতাদের যখন পড়ানো হয়, তখন Food Security নামক আলাদা একটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকে। এর মূল বিষয় হলো—শত্রু যেন আমার দেশের জনসাধারণ অথবা বাহিনীর খাবারের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারে তা নিশ্চিত করা। এর আরেকটি ছায়া দিক হলো—শত্রুপক্ষের জনসাধারণ ও বাহিনীর খাবার বা রসদ কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় তার ধারণা।

ভারতের তামিলনাড়ু অঞ্চলের ওয়েলিংটন সেনানিবাসে তাদের Defence Services Staff College (DSSC) অবস্থিত। যেখানে ভারতের সামরিক বাহিনীর নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের পাশাপাশি ভারতের Research & Analysis Wing (RAW) থেকে আগত নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তা ও গবেষকেরা পড়াশোনা করে। আলোচ্য পড়াশোনা চলাকালীন সেখানে শেখানো বিষয়গুলোর মধ্যে থাকে Stability Operation পরিচালনার স্বার্থে খাবারের সরবরাহ ব্যবহারের উপায়। সেখানে যুদ্ধে দখলকৃত অঞ্চলে Counter Insurgency (COIN) পরিচালনায় তথা স্বাধীনতাকামী গেরিলাদের দমন করতে সাধারণ মানুষকে মোতায়েন করার জন্য খাবার ও অন্যান্য দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সামগ্রীর সরবরাহ কিভাবে কাজে লাগানো যায় তার শিক্ষা দেওয়া হয়।
অনুরূপ অপারেশন পরিচালনার কালে United Nations, World Health Organization (WHO), World Food Programme–এর মতো আন্তর্জাতিক সংগঠনের সাথে কিভাবে যোগাযোগ ও সমন্বয় করতে হবে তার শিক্ষাও আলোচ্য সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত।

বাংলাদেশে সন্দেহজনক সকল উন্নয়নের পেছনে দিল্লির হাত রয়েছে। পদ্মা সেতু আমাদের জন্য কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে আমার ধারণায় চরম হুমকি। প্রত্যন্ত অঞ্চলে দরকারের তুলনায় প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণ করা, বড় নদীর ওপরে সেতু নির্মাণ করার দ্বারা আমাদের নদীমাতৃক দেশের সুবিধা অনেকাংশে হারিয়ে ফেলেছি আমরা। যার মাধ্যমে সমস্ত কিছু ঢাকা–কেন্দ্রিক করে দেওয়া হয়েছে।
যদি অসুস্থ মানুষের চিকিৎসার প্রসঙ্গ আমার কথার বিতর্কে বলা হয়, তাহলে আমি পাল্টা বলবো—পদ্মা সেতুর মতো নানান সেতুর অর্থ দিয়ে আসলে কতগুলো উন্নত হাসপাতাল করা যেত।

অনুরূপ আরো নানান উন্নয়ন রয়েছে। যা আসলে আমাদের শেষ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের অংশ। আমাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অভাব নেই। তবুও আরেকটি বিশ্ববিদ্যালয় করতে হলে তার জন্য দেশে জায়গা অনেক রয়েছে। সুতরাং, দেশের কৃষি ও খামার ধ্বংসের সম্ভাবনা তৈরি হবে এবং দেশকে শত্রুর কুৎসিত থাবায় তুলে দেওয়ার ঝুঁকি বাড়বে—এমন কোনো পদক্ষেপ আমাদের ভূখণ্ডের কোনো নাগরিক নেবেন না বলে আমি আশা রাখছি।

Revan M

শেয়ার করুন
Facebook X WhatsApp Telegram LinkedIn
QR কোড স্ক্যান করে পড়ুন
বিভাগ: রাজনীতি © ২০২৬ পর্যবেক্ষণ

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।

একই বিভাগের অন্যান্য লেখা

এপস্টিন ফাইলের রাজনীতি: সত্যের প্রকাশ নাকি কৌশলগত ফাঁস
রাজনীতি

এপস্টিন ফাইলের রাজনীতি: সত্যের প্রকাশ নাকি কৌশলগত ফাঁস

এপস্টিন ফাইলের রাজনীতি : সত্যের প্রকাশ নাকি কৌশলগত ফাঁস এপস্টিন ফাইল আবার আলোচনায়। বলা হচ্ছে — অবশেষে সত্য বেরিয়ে আসছে। কিন্তু ইতিহাস জানে…

পর্যবেক্ষণ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেওবন্দি ঐতিহ্যের বিরুদ্ধে জামায়াতি প্রোপাগান্ডা: ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ
রাজনীতি

দেওবন্দি ঐতিহ্যের বিরুদ্ধে জামায়াতি প্রোপাগান্ডা: ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ

??োবর পচলে সার হয়, কিন্তু জাশি পচলে ল্যাটকা গু হয়। এ যাবৎ যতটা এক্স জাশি দেখলাম, সবাইকেই হাফ শাহবাগি হতে দেখলাম। খোমেনি ইহসান নামের এক্স…

পর্যবেক্ষণ ১৩ অক্টোবর ২০২৫
হোচিমিন রোকন ও কৃষ্ণচূড়া বিতর্ক: বিএনপির নীতিগত অবস্থান কোথায়?
রাজনীতি

হোচিমিন রোকন ও কৃষ্ণচূড়া বিতর্ক: বিএনপির নীতিগত অবস্থান কোথায়?

??িএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে দেখা গেছে হোচিমিন রোকনসহ বেশ কজন যৌনবিকৃতি লালনকারী কিছু লোকের সাথে একটি…

পর্যবেক্ষণ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
↑